অপরুপ সৌন্দর্যে ভরা সাজেক ভ্যালি। থাকা, খাওয়া, যাতায়াত সব তথ্য জানতে পড়ুন

Read Time2Seconds

সাজেক ভ্যালী:

সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। সাজেক আয়াতনে অনেক বড় এলাকা, এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। বাংলাদেশে অনেক উপজেলা যা সাজেক ইউনিয়নের তুলনায় অনেক ছােট। সাজেক এমন একটি স্থান যেখানে ভাগ্য ভাল হলে ২৪ ঘণ্টাই আপনি
প্রকৃতির তিনটি রূপ দেখতে পাবেন। কখনাে খুবই গরম একটু পরেই হটাৎ | বৃষ্টি এবং তার কিছু পরেই ঢেকে যায় ঘন কুয়াশার চাদরে। রাতে এই দুর্গম পাহাড়ের চুড়ায় যখন সােলারের কল্যাণে বাতি জ্বলে ওঠে তখন সৃষ্টি হয়। অসাধারন এক পরিস্থিতি। অনেক বাচ্ছা রড লাইটের নিচে বই নিয়ে বসে। পড়ে না হলে ঐটুকু আলাের ভিতরেই খেলায় মেতে ওঠে। সাজেকে ৩টা হ্যালি প্যাড আছে , যা ৩টার সৌন্দর্য ৩ রকম । এছাড়া রুইলুই পাড়া হতে হেটে আপনি কমলং পাড়া যেতে পারবেন এই পাড়াটিও অনেক সুন্দর ও অনেক উঁচুতে অবস্থিত। কমলার সিজনে কমলা খেতে আপনি ভুলবেন না। সাজেকের কমলা বাংলাদেশের সেরা কমলা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীদের। দ্বারা রুইলুই পাড়ার অধিবাসীদের জন্য একটি ছােট তাঁত শিল্প গড়ে তােলা হয়েছে। এখানে সুন্দর সুন্দর গামছা ও লুঙ্গি পাওয়া যায়। সাজেক ভ্যালি হতে পারে আপনার ভ্রমেনের একটি সুন্দর গন্তব্য। এখানকার সৌন্দর্য দেখে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন।

সাজেক ভ্যালি  top10world.net
সাজেক ভ্যালি top10world.net

সাজেক ভ্যালীর অবস্থান:

সাজেকের অবস্থান রাঙ্গামাটি জেলার উত্তর – পূর্ব দিকে। মূল সাজেক বলতে যে স্থাঙ্কে বােঝায় সেটি হলাে “রুইলুই” এবং “কংলাক” নামের দুটি বসতি । স্থানীয় ভাষায় পাড়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ১৮০০ ফুট। সাজেকে। মূলত লুসাই, পাংখােয়া, এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে। সাজেক থেকে ভারতের মিজোরাম সীমান্তের দূরত্ব ১০ কিঃ মিঃ। কমলা চাষের জন্য বিখ্যাত সাজেক ভ্যালী।


আশেপাশের দর্শনিয় স্থান:

সাজেক যাওয়ার পথে দিঘীনালা থেকে ৮ কিঃমিঃ দূরে দিঘীনালা- সাজেক রােডের পাশেই হাজাছড়া ঝর্ণা দেখে নিতে পারেন। মুল সড়ক থেকে। ১০-১৫ মিনিট হাটলেই দেখা পেয়ে যাবেন এই অপূর্ব ঝর্ণাটি। তৈদুছড়া। নামে আরও একটি ঝর্ণা রয়েছে দীঘিনালায়, তবে এটি দেখতে হলে
আপনাকে আলাদা করে একদিন সময় রাখতে হবে শুধু এই ঝর্ণাটির জন্য। | দীঘিনালার জামতলি থেকে হেঁটে যেতে এবং আসতে সময় লাগে ৬-৭ ঘণ্টা। এছাড়া এর আশেপাশে আরও অনেক ছােট বড় ঝর্ণা রয়েছে। সাজেক নামে আলাদা করে কোন বাজার বা এমন কিছু নেই। রুইলুই পাড়াতেই সব রিসাের্ট এবং দকান-পাট। এই পাড়াতেই রয়েছে ৩ টি । হ্যালিপ্যাড এবং সেনাবাহিনীর তৈরি পার্ক। সাজেকের সৌন্দর্য উপােভগ করা হয় রুইলুই পাড়া এবং কংলাক পাড়া থেকে। রুইলুই পাড়া থেকে কংলাক পাড়ায় হেঁটে যাওয়া যায়, অথবা নিজের গাড়ি থাকলে গাড়ি নিয়েও। যাওয়া যায়। সাজেকের সকাল টা একরকম সুন্দর, বিকাল টা আবার অন্য। রকম সুন্দর, রাতে চাঁদের আলােয় যদি সাজেকের সুনসান রাস্তায় হাঁটা না। হয় তাহলে সাজেক ভ্রমণটাই বৃথা। সাজেক যাবার সব থেকে ভাল সময় শীতকাল ও বর্ষাকাল । সাজেকে পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা। আছে। এখান কার পরিবেশ দেখে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। তাই সাজেক ভ্যালী হতে পারে আপনার ভ্রমণের দারুণ একটি গন্তব্য স্থান।

ভ্রমন পিয়াসুরা ঘুরে আসতে পারেন সাজেক থেক।সত্যি মনোমুদ্ধ কর স্থান সাজেক।

আরো বিস্তারিত জানতে অরথাত যে ভাবে যাবেন,কত ভাড়া এবং কোন হোটেল এ কত ভাড়া বিস্তারিত জানুনঃ পড়ুন লিংক

সাজেক ভ্যালি  top10world.net

সাজেক ভ্যালি উইকিপিডিয়া

1 0
100 %
Happy
0 %
Sad
0 %
Excited
0 %
Angry
0 %
Surprise

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *